Musings by Soumabho Chakraborty

লকডাউন, শিবমন্দির এবং অন্ধকার

রাতে বেডরুমের আলো নিভিয়ে দেবার পর রাস্তার স্ট্রিট লাইট ঘরটাকে যতটা আলোকিত করে, সেদিন সন্ধ্যের সময় রাস্তায় বেরিয়ে ঠিক ততটাই আলো চোখে পড়ছিল । লোডশেডিং এর চাঁদটা দেখে অন্ধকার ঘরের দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি মারা এক চিলতে রোদ মনে হবার কোনও কারন না থাকলেও, বিদ্যুৎহীন পৃথিবীর বিশালতাকে তা উপলব্ধ করতে সাহায্য করে কিঞ্চিৎ । তখন যাবতীয় মুখোশ গুলো শুধুমাত্র যে লোকলজ্জার কারণে মুখে চাপানো – তা ঠাওর করতে বিশেষ অসুবিধা হয়না ।

 

মুখ ঢেকে বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে হেটে ডানদিকে ঘোরার আগে আমি পিছনে তাকাই – এটা বরাবরের অভ্যাস । বাবা ছাদে দাড়িয়ে আছে জানি, কিন্তু অন্ধকারে মুখটা দেখা গেল না । সরু গলিতে চাঁদের আলো রাস্তা হারিয়ে ফেলে, ঠিক যেরকম ভাবে ছোটবেলায় সাইকেল চালিয়ে রাস্তা হারিয়ে আমরা নিজেদের চেনা জগতকে অচেনা বানানোর আনন্দে মেতে উঠি, সেভাবেই । বয়স বাড়ার সাথে সাইকেলে জং ধরে, বিয়ারের বোতল ব্যারিকেডের মতন ঘরের চৌকাঠ পেরোতে মানা করে ।

 

জং ধরা সাইকেল ছেড়ে এখন পায়ে হাঁটতেই বেশি ভাল্লাগে । মামাবাড়ির তিনমাথার মোড়ে কোনও এক অজানা কারণে বারংবার বাঁদিকের গলিটায় চোখ চলে যায় । প্রত্যহের অভ্যাস কাটিয়ে এখন শিবমন্দিরে আলো জ্বলছে না – দেবতা মানুষের মুখের উপর আশ্রয়ের দরজা বন্ধ রেখেছেন । একটু আগে আসলে বেশ দূর থেকেও মাসখানেকের অবজ্ঞার ধুলো দেখতে অসুবিধা হয় না । এখন আকাশের যাবতীয় আবর্জনা মাটিতে আসছে, থিতিয়ে যাচ্ছে । এই জং সরানোর কাজ যে সহজ হবেনা, তা নতুন করে কাওকে বলে দিতে হয়না ।

 

ছোটবেলায় নীল পুজোয় বেশ আনন্দ হত । শিব মন্দিরের গলিটায় ঢুকলে মনে হত ঈশ্বরের সাথে প্রকৃতির বিবাহের আনন্দে সারা পাড়া মেতে উঠে চারদিক আলোকিত করেছে । যাদের মনে অন্ধকার তারা প্রসাদে অতিরিক্ত লুচি চাইলে মুখ ব্যাজার করতেন । আমরা ছোটরা রাখাল সাজতাম না – গুন্ডা সেজে হাতে ক্যাপ বন্দুক নিয়ে কোনও এক কাল্পনিক জমিদারবাড়ি লুঠ করতে তেড়ে যেতাম – আর সেই কৌতুক নাটকের একমাত্র দর্শক হয়ে চাঁদমামা হাততালি দিত ।

 

হাঁটতে হাঁটতে সাহেব্বাগান মাঠের কাছে এসে একটু দম বন্ধ লাগলো । মুখোশটা খুলে একটু শ্বাস নিয়ে বুঝতে পারলাম এই হাওয়ায় ছোটবেলার ঘাসের গন্ধ আছে; আসলে আমাদের যাবতীয় মুখোশ তো বড় হবার জন্যই পড়তে হয় । হঠাৎ খেয়াল হল যে এখানে রোগী ধরা পড়েছে – এরকম একটা খবর হাওয়ায় ভেসে বেরাচ্ছে । চটপট মুখ বন্ধ করে এগিয়ে চললাম – যেরম সারা জীবন এগিয়ে যাই, নিঃসাড়ে নিস্তব্ধে ।

 

এখানে এককালে আমি পড়তে আসতাম । হইহই করে যাওয়া আসার মাঝে কোনদিন ভাবতে হয়নি যে এই রাস্তায় একা হাঁটব । অবশ্য সব ট্রেনযাত্রীর যে গন্তব্যস্থল এক – তা ভাবা তো উচিৎ নয় । যে একা যাত্রা করে, তার কোনও গন্তব্যস্থল দরকার হয়না । বড় রাস্তায় রূপোলী চন্দ্রসুধা সার্চলাইটের মত এদিক ওদিক তাকাতে বলে । এভাবেই হেঁটে যেতে যেতে একদিন উল্কাপিণ্ড কখন যে তারামণ্ডলের আকর্ষণ ছেড়ে লাগাম ছাড়া সাদীর মত তার ফেলে আসা যাবতীয় সবকিছুকে ভালবাসতে ভুলে যায় – তা ধরতে পারা যায়না ।

 

আমার ছেলেবেলার শেষ খুঁটি ছিল বড় রাস্তার ধারের সাইবার ক্যাফে । বাবার পকেট থেকে দশটাকা বের করে কাউন্টার স্ট্রাইক আর ফিফাতে উচ্চমাধ্যমিকের বারটা বাজানোয় একটা আফসোস ছিল, কিন্তু কোনদিন অপরাধ বোধ হয়নি । গালাগালমন্দ, চিৎকার চেঁচামেচি, ঝগড়া অশান্তি, আবার বেরিয়ে দু টাকার ফ্লেক – এসবের ঝাঁপ কবে যে এখনকার শাটারটার মতন বন্ধ হয়ে গেল তা বুঝে ওঠার সময় জীবন দেয়নি । শুধু এটুকু ভাল করে বুঝিয়েছে যে অপরাধবোধটা সমসাময়িক আমদানি ।

 

তবুও চাঁদের আলোয় রাস্তা খুঁজে বাড়ি ফিরতে হয় । ভালবাসার ঝাঁপ গুলো বন্ধ হলেও আবার, বারবার মন চায় ঘরের দেওয়ালের মত হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে থাকি – বাড়িতে ঘর তৈরি করি । আবার তাতে ছোট ছোট আনন্দগুলো আনাগোনা শুরু করুক, বিয়ারের বোতল গুলোর ব্যারিকেড ভাঙুক প্রেমের অপরিসীম বিদ্রোহে ।

 

লোডশেডিং কাটেনি । পায়ের তলায় অবশিষ্ট চন্দ্রকনাকে পাড়িয়ে ঘরে ঢুকলাম । এই লকডাউন একদিন কাটবেই – তারপর আবার শিবমন্দিরে সন্ধ্যার আলো জ্বলবে ।

 

Maverick

Soumabho Chakraborty lives in Bandel, West Bengal, loves reading and teaching literature, spends too much time on gaming online and remains a curious observer of the eccentricities of life.

 

Poems by James Croal Jackson

Familiarity

I don’t know you

but I must have, once,

in some other life, the same

one this timeline is a part

of, this forward motion

a shadow of a shadow

darkening everything

I believe I know

has obscured.

 

Steps

Years later you emerge to say– oh,

you were marginalia in the stampede

of time. Fine. Where

 

are the footprints? Developing

the rock we once said was us.

That’s the Earth. I’m garbage.

 

The erosion of memory

started with aluminum beneath

your feet. The sand–

 

such an ordeal

to remember the origin

of recyclables. I am a

weather system forming

my own thoughts about

the worth of a tornado,

 

how it whips the air

in circles to salt

the crust of distance.

 

Serenity Blue

praise the underwater statue

at the aquarium it looks like Mary

 

mother of– mother of– there is no

statue inside the mind standing

 

eroding inside spacetime   what

a cliché (your reflection) magnified

 

you stare above into great white

light illuminating water’s new

 

life (forms of the past forms

of the past) sentient beaming

 

in its own extensive space

(how to fill the frame

 

of mind) where I want no

other self to suffocate

 

Jackson

James Croal Jackson  is a Filipino-American poet. He has a chapbook, The Frayed Edge of Memory (Writing Knights Press, 2017), and recent poems in DASH, Sampsonia Way, and Jam & Sand. He edits The Mantle (themantlepoetry.com). He works in film production in Pittsburgh, PA. (jamescroaljackson.com)

Poems by Don Thompson

Wildfire Dusk

What’s left of the light smolders

in this dark furnace.

 

Out in the fields, thistle

like incandescent snarls of wire.

 

Everything’s still too hot to touch.

Certain thoughts scorch.

 

Hard to sleep, knowing

midnight will taste of smoke.

**

Canyon

The old sandstone creeds have crumbled.

Unconvincing dust and a few spires—

needles without eyes.

 

It would take paleoarchaic faith

to live here.

That and a lizard’s skill set.

 

We have neither—and no patience

for pictographs that refuse

to explain themselves.

 

Stick figure arms signaling

hello or goodbye

as if there were no difference.

**

Wisdom

Dead grass speaks a living language.

 

Its tongues, quickened by the wind

at random, repeat

aphorisms older than human wisdom.

 

Nothing we’d listen to even if we understood,

considering it beneath us.

 

Tell it to the fire, we’d say.

**

Don Thompson

 

Don Thompson has been writing about the San Joaquin Valley for over fifty years, including a dozen or so books and chapbooks. He is also the first Poet Laureate of Kern County. His latest book of poems, A San Joaquin Almanac is set to be published in November 2020.

GAZE – A Photo Essay by Barshana Basu and Alokabho Pal

I wonder what they think when they look at us now. They aren’t used to seeing us happy, wearing our best skin with the colours of the rainbow. Dancing shamelessly to the mad music like no one is watching, yet dancing like the whole world is watching.

Gaze-1

They used to stare when he walked like himself with his hips, one foot in front of another. They said it was wrong, their eyes boring a hole in his soul and so he corrected himself. He changed himself so they didn’t stare anymore.

Gaze-2

Gaze-3

They stare when she steps out of her house, a shari wrapped around her waist, an old overused wig, some foundation and the brightest red lipstick. They quickly close the windows of their cars when they see her making her way through the halted traffic, a swing of her hips and hands that clap so loud. But their eyes follow her through the thick glass of the car window.

They still stare at her when she stands there in the bus stop waiting for the last bus to take her to a place called no homeland. Her ‘men’s shirt’ and her ‘men’s jeans’ and her ‘men’s haircut’. She’s used to it now.

He is still getting used to the stares. They stare when he holds his hand and gently rests his head on his shoulder, sitting there, looking at the people walking by. Heads turn, their eyes look back, expressions falter. He moves a little closer, he holds his hand a little tighter, feeling the warmth of his body cling to his skin.

Gaze-8

Kolkata Pride 2019, I look around me. Painted faces and rainbow dresses scattered on the streets somewhere in central Kolkata. I look at them looking at me; We look at them looking at us and at this moment, frozen in time, we are not self-conscious or worried or scared because at this very moment, under the hot winter sun surrounded by hot sweaty bodies that inexplicably smell like some unrecognisable perfume, we are not alone, we have us.

I wonder what they think when they look at us now. They aren’t used to seeing us happy. They have never seen us like this; So loud, so inconvenient. They must think we have no shame. Do they know who we are? What we are? Why we are?

Do you remember how they looked at us, called us names; chakka, hijra, gay, faggot – those are our names we wear it like colourful little badges pinned on to our skin.

Kolkata Pride 2019: they tried hurting us with words again, to hurt us with shame. But we rise up because we aren’t alone anymore, we have us.

Gaze-15

[On 29th December as the Kolkata Rainbow pride march 2019 was moving past Shyambajar a group of men on a lorry called out names and started heckling the people in the procession. Certain queer people from the march stepped forward and confronted the group of bullies and drove them away allowing the pride march to continue in all its glory.]

 

Authors' Picture

Barshana Basu and Alokabho Pal are final year students of Masters at Jadavpur University