Episodic Epiphanies: Two Poems by Yuan Changming

Into The Reality

You see, here’s the leaf dyed with the full

Spectrum of autumn; here’s the dewdrop

Containing all the dreams made on the

Darkest corner of last night; here’s the

Light pole in the forest where gods land

From another higher world; here’s the swirl

You can dance with to release all your

Stresses against the Virus. Here you are in

Deed as in need embracing

The most

Mindful moment, when you can readily

Measure your feel with each breath, but do

Not think about time, which is nothing but

A pure human invention. Just point every Synapse of yours to this locale. Here is now.

Chopstick Commandments: A Secular Covenant

  1. Avoid one chopstick longer than the other in a pair

That would recall what a coffin is made of

  1. Don’t plant them in the middle of bowel of rice

Or dish, like a scent burning for the dead

  1. Never use them to poke around in a dish

In the way a tomb raider works hard in dark

  1. Put them strictly parallel to each other; or you

Would have yourself crossed out as a deplorable error

  1. If you drop one or both of them on the ground, you

Will wake up and provoke your ancient ancestors

  1. If you use them to beat containers like a drum player

You are fated to live a low and poor beggar’s life

  1. When you make noises with them in your mouth

You betray your true self as a rude and rough pariah

  1. Never point them towards any one if you

Do not really mean to swear at a fellow diner

  1. Make sure not to pierce any food with them while eating

When you do not mean to raise your mid-finger to all around you

  1. To use them in the wrong way is 

To make yourself looked down upon by others.

Yuan Changming grew up in an isolated village, started to learn the English alphabet at age nineteen and published monographs on translation before leaving China. With a Canadian PhD in English, Yuan currently edits Poetry Pacific with Allen Yuan in Vancouver. Credits include twelve Pushcart nominations & eleven chapbooks (most recently LIMERENCE) besides appearances in Best of the Best Canadian Poetry (2008-17) & BestNewPoemsOnline, among 1,909 others, across 48 countries. Yuan served on the jury, and has been nominated, for Canada’s National Magazine Award (poetry category).




In the absence of wealth

Our mothers passed down to us

Stifled teardrops and

Gleaming beads of sweats.


We cradled them in our beings

Turning them into crystal balls

To gaze through


Our submarined sorrows with.

And found credential there

For all our pains.




Had I sprouted wings at the first thaw of innocence

Instead of measly breasts and clumsy hips

I might have learnt the intricacies of flight.

As it is I can only shuffle my feet


And now

Not even that,

What with

November still

Breathing half bitten stories

My way.




Where I come from

All the girls, they

Know too well

The stilting security of oppression

The cruel confinement of comfort

And a word for it-



Our mothers taught us

The shade of the sky

From a box of crayons

And went back to the kitchen

Where they had left the darkness

Boiling on the stove.


We were left to trace out the map of the world

On our parched, earthen stretches of skin.

The salt of the sea in the moistening of our eyes

The fresh air of hill stations trapped between our lips.

Cliffs on our torsos, the precarious  game of holding on

And the wild forests of desire between our legs

We dare not explore.


They closed the curtains on us

Dressed up ignorance in a veil

Called it protection, called it shame.

But with the sunshine so insistent

How could we emerge unscathed

Or anything but well versed

In the ways of infinity?

-Madhubrata Bhattacharya


নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়ে
মেঘের মত স্বর, 


ব্যথার মাঝে ঘুমিয়ে পড়েন

আমার ঈশ্বর।
ঘুমের ফাটল চুইয়ে ঢোকে
মনকেমনের রেশ।
নাবিক আমার ঈশ্বর
পড়ে যীশুর ছদ্মবেশ,
জলের উপর স্বপ্নে হাঁটেন
নেশায় হয়ে চুড়।
ভগ্ন গীটার বাজিয়ে চলে,
হ্যালেলুয়ার সু্র ।
ভ্রষ্ট পথিক ঈশ্বর মোর
নষ্ট প্রভু আমার,
‘সো লঙ’ বলে হারিয়ে গেলেন
অন্ধকারের পার।
চেলসি হোটেল, ক্লিনটন স্ট্রিট
কিংবা ম্যানহাটন,
স্মৃতির ঘরে অপেক্ষাতে
ন্যান্সি, ম্যারিয়ান।
একটা মানুষ, এক খানি গাছ
আমার আশ্রয়,
চোখের সামনে দেখতে পেলাম
ঈশ্বরের-ই ক্ষয়।


ঈশ্বর তবু স্বপ্ন দেখান
‘ফ্রিডম সুন উইল কাম’।
আমার প্রিয় মৃত ঈশ্বর,

লেনার্ড কোহেন নাম।

 -Rohan Hassan


cd6b51d766cb0e38a5771c34fb847f8b.jpgগান ক্যাফে

 মনের কোনে ক্লান্ত ক্যাফে
লেনার্ড কোহেন এর গান শুনে
নভেম্বর  হাঁফিয়ে ওঠে
ডিসেম্বর এর দিন গুনে।

 রাতের চাদর আঁকড়ে ধরি
তোমার শরীর সব বোঝে
অ্যাটলাস  তোমার আঙ্গুল রেখে
নাবিক যে তার পথ খোঁজে।


বন্দরে আজ জাহাজ শান্ত

রাতের আকাশ মদের ঠেকে,

বিকেলের ছাদ ঘুমিয়ে আছে

লেনার্ড যখন কবিতা লেখে।

 আমার আকাশতোমার আকাশ
মিলে মিশে একসাথে
পকেটে মেঘের খুচরো রাখি
তারার ধুলো ফুটপাথে।

 তিনিও নাকি প্রেম করেছেন

চাঁদ কেটেছেন ব্লেড দিয়ে

গলার স্বরে তুফান ওঠে

তুফান থামান গান দিয়ে।

মন  নাকি খারাপ হয়

শীতকালও নাকি রাগ করে

কোহেন এর নাম প্ল্যাটফর্ম  লেখা

সুইসাইড  তার নাম জানে।

নদীর স্রোতে ভাসে পালক

রাতের  নাকি বাঁধ ভাঙে

কবিতারা নাকি আজও মাতাল

লেনার্ড কোহেন এর নাম ধরে।

 -Sayan Aich




In the dark night

I was going.

There was forest,

There was snake

There was swan

There was the music,

But I only remember

The night,

In which I was going.


That Window

 It was a north-faced one.

I didn’t have any other window

My home, my room was all but north.

The chilling cold dried my hair

It scorched my skin.

I shivered, for years as I didn’t have

The warm south.

And one day, as I decided to quit,

The window asked me,

“Is it you? Who’s left?”


The Light

Those dark horses don’t ply

In my prime I knew them

It wasn’t time, still, you and I

Waited to be longed for

Still, you and I…waited.


Days got older as our bird

And we got cold. Dear Lord,

We sickened together

until salvage came.


Dear Lord.

And Now, we see the light

at the end of the tunnel

The horses do go,

It is their prime.

-S Mukherjee


poem 1.png

1.বেশ অনেক বছর আগের কথা। নবমীর রাত। সবার অনুরোধে দুটি অল্প বয়েসি মেয়ে ধুনুচি নাচ এর ময়দানে নামল। তাদের কথা অনুযায়ী ক্যাসেট চালান হল। মুহূর্তের মধ্যে হেমন্ত মুখার্জী শুরু করলেন ধিতাং ধিতাং বলে। ঠিক ৭ সেকেন্ড সময় লাগলো আমার চারদিকের পৃথিবীটাকে ভুলতে। দুজনের মধ্যে একজন আমার থেকে বয়েসে বছর ৫/৭ এর বড়। সাদা সালওয়ার, ওড়না তা কোমরে বাঁধা। ওড়নার সাথে গোটা জগতটাকে নিজের মধ্যে বেঁধে নিয়েছে। তার হাথে তখন মাটির পাত্র নেই, যেন এপ্রিল মাসের তিরিশটা সূর্য কে নিয়ে সে মণ্ডপ প্রদক্ষিণ করছে। আর আমিও তার সাথে মিশরের পিরামিড, আমাজন এর জঙ্গল, ভেসুভিয়াস এর ভেতর দিয়ে হেটে চলেছি। বয়েস অল্প, সবে সবে ইংরেজি সাহিত্যর প্রেমে পরেছি। ক্লিওপাটরার নাম শুনেছি, সেদিন চোখে দেখলাম। ওদিকে হেমন্ত বাবুও নিজের জীবন দিয়ে গেয়ে চলেছেন। আগামীকাল পূজা শেষ। বোকার মত দাড়িয়ে ভাবছি, জীবনের নবমীর রাত টাও যেন এইভাবেই শেষ হয়।

poem 2

2.কতদিন কিছু লিখিনা। লেখা আসেনা। বাস স্টপ এ দাড়িয়ে থাকি। একের পর এক অন্যের কবিতা চলে যায়ে। যখন কিছু লেখার মত পাই, তখন শব্দের এত ভিড় যে উঠতেই পারিনা। না আছে বসার জায়গা, না ভাল ভাবে ধরে দাঁড়ানর। যাই হোক, আজ দিনের ৬ ঘণ্টা রাস্তাতে কেটেছে। বাড়ি ফিরব প্রায়, দেখলাম একজন বছর ২০/২২ এর মেয়ে, চুল খোলা, পুজোর বাজার সেরে রাস্তা পার হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশ ও সিগ্নাল না মেনে সব গাড়ি দাড় করিয়ে দিয়েছে। পৃথিবী একটু আস্তে ঘুরছে, সূর্য টাও যেন একটু ওপরের দিকে উঠল। মেয়েটি রাস্তা পার হয়ে গেল, অষ্টমীর রাত এর ধুনোর গন্ধ পেলাম। প্রতিমা দর্শন ও শেষ।

poem 3

3.দেবী আসে, দেবী যায়। জলে মেশে রঙ, মেশে মাটি। ক্যানভাস জুড়ে ধবধবে খরা কাঁদে শুধু। দেবী আসে, দেবী যায়। কখনও দরজা খোলে যদি, কালো ঘোড়ার মত, তুলির টানে দাপিয়ে চলে ঝোড়ো মেঘের চুল। ওপারে ঘণ্টা বেজে ওঠে। মাতালের মত, বুনো মোষের মত। বোধন না বিসর্জন?

Poem 4.png

  1. টিম টিম চোখে, কাঁপা কাঁপা হাথে, তাল তাল মাটি থেকে, দেবী জেগে ওঠে। আঙুলের আদরে ফোটে চোখ, ঠোঁটে হাসি। এই দেবী মারে না, কাটে না, শুধু স্বস্তির আশ্বাসে বলে, সকল ঝড়ের মাঝে আমি তোমার আশ্রয়। সাধন শোনে আর তার চোখে ভিড় করে আসে কয়েক দশকের শরত এর ঝরা পাতা। মুছে যাওয়া কোনও এক মানবী প্রতিমা, সাধনের দেবী হয়ে ফেরে বারবার। রাত নামে, শীর্ণ ক্লান্ত দেহে, সাধন ঘুমের দেশে ভাসে, বেহুলার মত। পাশের বাড়িতে বেতার বেজে ওঠে। জর্জ দা গাইছেন,

” সব ফুরালে বাকি রহে অদৃশ্য যেই দান,

সেই তো তোমার দান,

মৃত্যু আপন পাত্রে ভরি বহিছে যেই প্রাণ

সেই তো তোমার প্রাণ। ”

-Sayan Aich and Abin Chakraborty; Illustrated by Subarnarekha Pal


1. জাহান্নাম
মাটির নীচে দু’হাত বিকেল। কৃষ্ণচূড়ায় লেপ্টে ঘাম।
পা রেখেছি পাতালরেলে। তোমার বাড়ি জাহান্নাম।
হয়ত যেত অন্য মানুষ। হয়ত হত অন্য শেষ।
সন্ধ্যে নিত অন্য জীবন। রাত্রি হত অন্য দেশ..
কীংবা তুমি মৃত্যুমুখী। তোমার কফিন অন্ধকার।
কী বোঝাবে সন্ধ্যে তাকে মৃত্যুযোগে জন্ম যার..
কিন্তু খসে পলেস্তারা। ফাটল ধরায় বিধির বাম।
সন্ধ্যে নামে পাতালরেলে। তোমার বাড়ি জাহান্নাম।
জলপ্রপাত থাকলে হতো। শ্যাওলা পাথর, অন্য ভয়..
জলের হদিস থাকলে কী আর উৎস থেকে ফিরতে হয়?
প্রশ্ন শুনে চমকে উঠি। কোথায় গেল পুতুলনাচ?
ঘরের মানুষ ফিরছে ঘরে। আয়না একই। অন্য কাচ..
পায়ের নীচে খেলছে তড়িৎ। বাদবাকি সব মর্ষকাম।
রাত্রি ফেরে পাতালরেলে। তোমার বাড়ি জাহান্নাম।
2. অশ্বমেধ
ভীষণ মাতাল সিঁড়ি, ষোলোর পায়ে পা, ক্লাউড নাইনে ঢিল, শূন্যে চোট
নেহাত অবাধ্যই, কে কাকে টানছে, কার কাঁটায় কার ঠাসবুনোট
তুমুল তর্ক শেষে আবার লাইনে পা, ক্লান্ত চৌকাঠে অন্য মত
দরজা দেওয়ার আগে এক ঝলক ফের, জুতোর মনে থাক কক্ষপথ
খোলস নামিয়ে রেখে শরীর স্নানের ঘরে, তৃতীয় সন্ধ্যার সূর্য ম্লান
আগুন জ্বালতে চেয়ে জেহাদী দেশলাই, তবুও ভিজে যাক অগ্নিবাণ
জমানা বসে যাক প্রবল বর্ষণে, বাষ্পে জমা থাক লক্ষ্যভেদ
একুশ জন্ম নিক ষোলোর মরশুমে, দেওয়াল চিনে নিক অশ্বমেধ!
3. আরামদিন
চিবোও কাকা শহর চিবোও
তিতকুটে এক চিউয়িংগাম
ভাল্লাগে না সন্ধ্ব্যবেলা
আঁতেলপনার সংঘারাম
নাগরদোলায় ঊর্ধ্বে চলো
পায়ের তলায় মুব্ধ ভিড়
বৃন্দাবনের পাহারাদার
ধরণধারণ বিপ্লবীর
বৃষ্টি-কাঁটায় শরীর ভেজাও
গলায় নরম উষ্ণতা
আদর দিয়েই হিসেব হতো
জুতোর মালা অন্যথা
রং লেগে যায় চোখ-মণিতে
হাতের আঙুল নপুংসক
তেমন হলে জলকেলিতে
ভিজিয়ে নিও গোপন ত্বক
খামখেয়ালি জীবনযাপন
মন্দ তো নয় কি চার্মিং
শহর চিবোও কফির সাথে
আজকে তোমার আরামদিন
আমার হাতে ধোঁয়ার কাঠি
জাগলে নাকি? চুমুক চাই?
যে যাই বলুক, আমরা জানি
শ্যামের বুকে ক’জন রাই!

The Drop of Life

You come from a land
Fanned out by many rivers.
You sing of waves,
Embracing and flowing
The last sea miles together.
If the wide breath
Of meandering history
Had settled its silt otherwise,
I could have breathed your air.
Would have plunged and played with you.
Shared food and street and toys.
Would have grown into,
And out-grown in time,
All precious trivialities
Of childhood together.
Since that was not to be,
We meet as loving enemies today.
We lie in this high-ceilinged room
Of this sturdy, old house.
Much like one my grandfather built,
When he and others
Crisscrossed those rivers-
Rivers unknown to me-
To escape the fires
And make a home again.
A home to make love in.
A home to make love to.

Maria’s Mumblings
Months trail down the thighs.
They leave stubborn stains.
Tangle of torn hair
Keep circling that corner.
Why can’t you see?
Why won’t you see?
That corner there of wet walls.
Wet walls
Like crumpled letters.
Like wrinkled hands.
Like rain shrunken
Scrotum n’ breasts.
The kitchen tiles
Are brown with burnt oil.
A dragon fly’s glittering wing
Is stuck there.
How it got there?
Wish I knew.
The goldfish is dead.
The goldfish is dead too.
Like many other things.
A goldfish on my palm.
In that crystal gaze of death,
What pictures are frozen still?

Pebble Drop
He’s alive.
Every evening
The worn heels
Tap off the same phrase
Like ash from cigarette.
Same old phrase:
Station to stairs to gate.
He’s alive for sure.
His fingers have borne
The grocery weight of commitment,
Of happiness,
Of life.
He’s alive.
Bills await him.
Investment plans.
Wedding invitations.
He’s alive
In dishes
And plates
And glasses.
In crumpled sheets
And pillows
And clothes.
He’s certain.
And yet,
Two moth wings
In the mailbox today,
Made him look
In the mirror
An hour.

– Aritra Mukherjee

অথচ জ্বলছে যারা: এই শহরের শ্মশানদের জন্য

1. নির্বাণ
তর্জনী শুষে নিচ্ছে আগুন
বিগলিত ঘুমে
জ্বলে উঠছে অজস্র চোখ
প্রতিটি চুল্লীতে
জন্ম নিচ্ছে বিকল্প শববাহক।pexels-photo-105541
2. দ্বিতীয় বার পোড়ার আগে
যে-সন্ধ্যা গিলে খায়
বিদগ্ধ মাকড়সা
তার ভস্মে ঘি ঢেলে বলো
নাভি পোড়ে নি
নাভি পোড়ে না
নীল আঙুল বিগলিত হয়
জ্বলে ওঠে তুষারমানব
শ্মশান চিনেছে তার লগ্ন
নাভি পোড়ে নি
নাভি পোড়ে না
ভেসে ওঠো বেহায়া চুল্লী
প্রজ্জ্বলিত হও অস্থিমজ্জাসার
সমবেত পেট্রল গিলে
যেটুকু জীবাশ্ম বেঁচে থাকে
দিগন্তের গলা চিরে
যেটুকু আগুন পারো আনো
সহস্র মুখাগ্নি শেষে
হিমবাহ বুকে রেখে বলো
নাভি পোড়ে নি
নাভি পোড়ে না।
3. স্বাহা; অথবা, পরস্ত্রীদের জন্য
আগুন, এখন আগুনের সাথে শুচ্ছি
হাতড়েছি তল, অতল পাবার চেষ্টা
সাজিয়েছ কাঠ, পিচ ঢেলে দাও গর্ভে
ঘুমোনোর আগে একবার জ্বলি শেষটা
আমার তো শুনি ময়াল সাপের চামড়া
ঘেমেছ তুমিই, বাষ্পে দেওয়াল স্তব্ধ
আর দু পা গেলে মানুষ হবার ইচ্ছেয়
সাপকে খেলিয়ে বাঁশিওয়ালা গোনে শব্দ
কফিনেই পাবে পরস্ত্রীদের বাঙ্কার
সমুদ্র পেলে কেউ করে দেবে ঢেউ সই
কাচের গেলাসে ঘর শুকোনোর রোদ্দুর
ফেনা ওঠা শেষ, আমি তো আসলে কেউ নই
চুল্লী খুলেছে ঘোরানো হাতের সঙ্গে
সিঁড়ি নেমে গেছে, আছি বেশ আছি রঙ্গে…
-Arkoprobho Roychowdhury




On a fine spring evening,

When a stranger walking by,

Would remind you of me,

With the same cologne which,

I always wore, while making love,

Or going to war,

Rush home, Run home.

Because memories are like relatives,

Who just refuse to die.

By every word, every poem,

That still lie huddled in your breasts,

Like Jews inside trains whose final stop

Was the end of the world,

I swear to you my love,

Men like me, can pour petrol

On a blooming red rose,

Do not come knocking on our doors.


2 (1)

And here I am,

Writing about my favourite hell.

Holding a tourist brochure in hand,

I wonder at the delusion,

Proclaiming, ” Welcome to heaven on Earth.”

You see, in heaven,

Gods don’t crack down,

On Angels shouting- ” Azaadi! Azaadi!”

In heaven,

Tombstones have names.





I switch between two languages

While writing about you.

Between Faiz and Shahid,

Between nights descending on Lahore,

And evenings on small pubs in my neighbourhood.

I slice open with words,

Dark nights, and paint brush them,

Over your city and mine,

Sprinkling stars over Urdu,

Over English.

I switch between two selves,

When writing about you.

One watching the river go by in Banaras.

The other burning in Kashmir.


You’ve been growing on me,

1Like wine,

Like Jazz,

Like expensive perfumes,

Like charming old Paris,

Like legends which no one believed,

And like family history everyone did.

Like the illusion of greatness,

Or the idea of a prison break.

You have been growing on me,

Like the sea swelling at high tide,

Or the night lamp, post midnight, gaining courage.

You’ve been growing on me,

With every hammer of the second’s hand,

And every turn of the table calendar.

-Sayan Aich

(Illustrations by Shreemoyee Banerjee.)